//দেশে করোনা সংক্রমণের উর্ধগতির কারণে সব পাবলিক পরীক্ষা বন্ধসহ ১২ দফা সুপারিশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

দেশে করোনা সংক্রমণের উর্ধগতির কারণে সব পাবলিক পরীক্ষা বন্ধসহ ১২ দফা সুপারিশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে সতর্কতামূলক ১২ সুপারিশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

কোভিড-১৯ মহামারী সংক্রমনের হঠাৎ  উর্ধগতির কারণে আতংকিত সারা দেশ। এমন অবস্থায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জরুরি সভার আয়োজন করেন। যেখানে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও সংক্রমণ কমাতে ১২ টি প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।

প্রস্তাবগুলি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রেরণ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করে এই সুপারিশগুলো মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের মুখপাত্র এবং NDC শাখার পরিচালক মোহাম্মদ রোবেদ আমিন।

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে যে ১২টি সুপারিশ করা হয়েছে সেগুলো হলো-

১। দরকারে সম্পূর্ণ লকডাউনে যেতে হবে। তা না হলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমন্বয় রেখে যেকোনো জনসমাগম বন্ধ করতে হবে।

২। কাঁচাবাজার, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট, শপিংমল, মসজিদ,মন্দির, রাজনৈতিক সমাগম, ভোট অনুষ্ঠান, ওয়াজ মাহফিল, রমজান মাসের ইফতার মাহফিল, বাজার ইত্যাদি অনুষ্ঠান সীমিত করতে হবে এবং এসব জায়গায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে কঠোর নজরদারি রাখতে হবে।

৩। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে, সেগুলো বন্ধ রাখতে হবে। এবং অন্যান্য কার্যক্রমও স্বাস্থ্যবিদি নিশ্চিত করে সীমিত করতে হবে।

৪। যেকোনো পাবলিক পরীক্ষা যেমনঃ (বিসিএস, এসএসসি, এইচএসসি, মাদ্রাসা, দাখিলসহ) নেওয়া বন্ধ রাখতে হবে, যাতে করে কোনো রকম জনসমাগম না হয়।

৫। কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের আইসোলেশন করার পদক্ষেপ আরো জোরদার করতে হবে এবং সেই প্রস্তুতি নিতে হবে।

৬. যে বা যারা কোভিড-১৯ রোগীদের সংস্পর্শে আসবে তাদের কঠোর কোয়ারেন্টিনে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

৭। বিদেশ থেকে বা প্রবাসী যারা আসবেন তাদের ১৪ দিনের কঠোর কোয়ারেন্টিনে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। দরকার হলে এ ব্যাপারে সামরিক বাহিনীর সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।

৮। পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ঈদের ছুটি তুলনামুলক কমিয়ে আনা যেতে পারে।

৯। স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে আইন আরও জোরালোভাবে কার্যকর এবং বাস্তবায়ন করতে হবে।

১০। পোর্ট অব এন্ট্রিতে জনবল বাড়িয়ে নজরদারির কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।

১১। সব ধরনের সভা অফলাইন বাদ দিয়ে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে করার উদ্যোগ নিতে হবে। এবল বিষয়ে স্কুল,কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃথক নোটিশ দিয়ে জানাতে হবে।

১২। পর্যটন এলাকায় চলাচল অতি সীমিত করতে হবে। প্রয়োজনে পর্যটকদের ভ্রমণ বন্ধ রাখতে হবে।

এদিকে ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও মারা গেছেন ৯ হাজার ৭১২ জন এবং একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন পাঁচ লাখ ২৮ হাজার ৮৪৫ জন।

সকল সংবাদ সবার আগে পেতে চোখ রাখুন dailybdtime.com এ।