//মৌসুমি রোগ হয়ে উঠতে পারে করোনা ভাইরাস

মৌসুমি রোগ হয়ে উঠতে পারে করোনা ভাইরাস



জাতিসংঘের তথ্য মতে করোনাভাইরাস হয়ে উঠতে পারে মৌসুমি রগ। এ বিষয়ে জাতিসংঘ বলেন, শুধু আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এ মহামারি ছড়িয়ে পড়া রোধে নেওয়া পদক্ষেপ শিথিল করার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।
সুত্রঃ এএফপি।
কবিদ ১৯ এর উৎপত্তি স্থল চীনে হলেও মুহুরতের মধ্যে সারা বিশ্বে ছরিএ পরে।এ ভাইরাসের প্রকোপে এ পর্যন্ত সারা বিশ্বে প্রায় ২৭ লাখ মানুষ মারা গেছে। ভাইরাস ছড়িয়ে পরার এক বছরের মদ্ধেও মেলেনি এর রহস্য।
করোনা ভাইরাসের গতি প্রকিতি ধাপ নিয়ে জাতিসংঘের বিসেসজ্ঞ দল এই প্রথম একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। দলতির প্রতিবেদনে বলা হয়, ”করোনা একটি মৌসুমি রোগে রূপ নিতে পারে”, এর কিছু লক্ষণ পান বিশেষজ্ঞ দলটি।

দলটির গবেষণাগারের পরীক্ষা থেকে বলা হয় ”কিছু ক্ষেত্রে করোনা ভাইরাস ঠান্ডা ও শুষ্ক আবহাওয়া এবং অতিবেগুনি রশ্মির কম বিকিরণে দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকে। এ বিষয়ে প্রাথমিকভাবে কিছু প্রমাণ পাওয়া গেছে, মৃত্যুর হার বাড়ার প্রধান কারন খারাপ বায়ুর মান।তবে বায়ুর মান সার্স–কোভিড–২–এর বায়ুবাহিত সংক্রমণের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে না।শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাসজনিত সংক্রমণ প্রায়ই মৌসুম ভেদে ঘটে থাকে। বিশেষত, সাধারণ সর্দি–কাশি বা ইনফ্লুয়েঞ্জা -( সাধারণত মৌসুম পরিবরতনের সময় এগুল হয় থাকে)-র পিক সময় শরৎ থেকে শীতকাল এবং ঠান্ডাজনিত করোনাভাইরাস বৃদ্ধির উপযোগী পরিবেশ হলো নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়া”।
১৬ সদস্যের বিশেষজ্ঞ দলটি তাদের বিব্রিতিতে বলেন, ”ভাইরাসের এমন গতিপ্রকৃতিতে এটা খুব জোরালভাবেই বলা যায়, করোনাভাইরাস অনেক বছর ধরে চলতে থাকলে তা একটি জোরালো মৌসুমি রোগে রূপ নেবে। বলা যায় কালের পরিক্রমায় কোভিড-১৯–এর জন্য দায়ী সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের সংক্রমণ মৌসুম ভিত্তিতে ঘটে থাকতে পারে”।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ”কোভিড–১৯ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এখন পর্যন্ত আবহাওয়ার চেয়ে সরকার প্রধানদের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ, যেমন: মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা, ভ্রমণের ওপর বিধিনিষেধ ইত্যাদির প্রভাবই বেশি দেখা যাচ্ছে”। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে এ বিষয়ের ওপর জোর দিতে হবে।সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধে গৃহীত বিধিনিষেধ শিথিল করার ক্ষেত্রে এখনই শুধু আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করা আমাদের একদমই ঠিক হবে না।

করোনাভাইরাসের গাঠনিক চরিত্র বোঝা খুবি কঠিন বলে বেন জেইটচিক(যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃথিবী ও গ্রহবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক, এবং জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ দলের কো-চেয়ার) বলেন ”করোনার প্রথম বছর কোনো কোনো দেশে এ রোগের সংক্রমণ গ্রীষ্ম মৌসুমে বাড়তে দেখা গেছে। এমনটা আবার আসছে বছরে ঘটবে না—তা বলার পক্ষে কোনো প্রমাণ নেই”।
সকল সংবাদ পেতে চোখ রাখুন dailybdtime.com এ।