//রাজধানীর প্রায় ৪২২ হাসপাতাল অগ্নি ঝুঁকিতে

রাজধানীর প্রায় ৪২২ হাসপাতাল অগ্নি ঝুঁকিতে



রাজধানীর প্রায় ৪২২ টি হাসপাতাল অগ্নি কাণ্ডের ঝুঁকিতে আছে বলে সাম্প্রতিক ফায়ার সার্ভিসের পরিসংখ্যানে প্রকাশ করা হয়। চলতি মাসের ১৭ তারিখ ঢাকা মেদিকেল অলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটের আইসিউতে অগ্নি কাণ্ডে এখন পর্যন্ত ৪ জনের মৃত্যু ঘটে। নিহতদের স্বজনরা এই মৃত্যুর জন্য হাসপাতাল কত্রিপক্ষের অবেবস্থাকেই দায়ী করছে।
২০১৯-২০ সালে রাজধানীর শহীদ সোরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সহ কয়ক্তি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনার সময় আইসিইউতে আগুন লাগার ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হচ্ছে জনসাধারনের মাঝে। অন্যদিকে ধারনা করা হচ্ছে, করোনাকালে অতিরিক্ত রগির চাপ থাকায় এর ঝুকি প্রায় দিগুন বাড়ছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ হাসপাতালে অগ্নি নিয়ন্ত্রণের যন্ত্র থাকলেও তা অসল হয় জাওয়ার ফলে ঝুকি দিনের দিন বেরেই চলছে।

ফায়ার সার্ভিসের মতে, ২০২০ সালে দেশের মোট ৯০ টি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে অগ্নি কাণ্ডের ঘটনা ঘটছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, বর্তমানে রাজধানীর ৪৪২টি হাসপাতালের মধ্যে ৪২২টি হাসপাতালই অগ্নিঝুঁঁকিতে আছে যার শতকরা হিসেবে ৯৭.৫ শতাংশ ।এর মধ্যে ১৭৩ টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ এবং সাধারন ঝুকির তালিকায় আছে ২৪৯ টি হাসপাতাল। এর মধ্যে আছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ ২০ টির বেশি হাসপাতাল।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসেন সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “যেকোনো সময় বড় রকমের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এর মধ্যে ব্যস্ততম বিশেষ করে রাজধানীর হাসপাতাল ক্লিনিকগুলোতে দুর্ঘটনা বেশি ঘটছে। সেনিটাইজার, অক্সিজেন, সিলিন্ডার, হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানলা, গ্যাস লাইন থেকে শুরু করে অন্যান্য দাহ্য পদার্থ থাকে এগুলোই হাস্পাতাল গুলতে অগ্নি কান্দের প্রধান ও অন্যতম কারন”।

এক্ষেত্রে বেসরকারি ভালো মানের হাসপাতাল কত্রিপক্ষ এ বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন থাকে সবসময়। তারা নিয়মিত এগুলো ফলোআপ, মহড়া করেন এবং অগ্নিঝুঁকির বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি গ্রহন করে থাকেন। ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে সার্ভে করে ঝুঁকিপূর্ণ হাসপাতালগুলোকে অগ্নিঝুঁকি কমানোর বিষয়ে পরামর্শ দেয়ার পাশাপাশি নোটিশ দেয়া হচ্ছে।

সকল সংবাদ সবার আগে পেতে চোখ রাখুন dailybdtime.com এ।