//৩০ মার্চের মধ্যে সকল শিক্ষক-কর্মচারীর টিকা নিতে হবে- dailybdtime
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, করোনা টিকা,

৩০ মার্চের মধ্যে সকল শিক্ষক-কর্মচারীর টিকা নিতে হবে- dailybdtime

বর্তমান সরকার দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষাকে বহুমাত্রিক করতে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেন মাননিও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেনব তার সরকারের সময়ে এসব সম্ভব হয়ছে।
রবিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপবৃত্তি, টিউশন ফি, ভর্তি সহায়তা ও চিকিৎসা অনুদান বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী প্রধান অথিতি হিসেবে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ সচিবালয়ের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হন। দিরঘ একবছর দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পর আগামি ৩০ মার্চ ২০২১ স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেন সরকার।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খলার ব্যপারে মাননিও প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মরত সবাইকে ৩০ মার্চের মধ্যে করোনাভাইরাসের টিকা নিতে হবে।

টেক্সটাইল, ডিজিটাল, প্রতিটি বিভাগে একটি করে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় করে দেয়া হচ্ছে , ফ্যাশন ডিজাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে আধুনিক যুগে কী কী ধরনের বিষয় লাগে, সেদিকে লক্ষ রেখেই আমরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে যাচ্ছি। মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়, এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় করেছি, অর্থাৎ বিষয় নির্বাচন করে বাংলাদেশের যেসব এলাকায় যে ধরনের শিক্ষার গুরুত্ব বেশি আমরা সেভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো করে দিচ্ছি। যাতে সকলেই শিক্ষাটা যথাযথভাবে গ্রহণ করতে পারে। বিজ্ঞান বা প্রযুক্তি শিক্ষা বা কারিগরি শিক্ষাটাই হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কেননা এটা দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।সবই তার সরকারের অবদান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে এদিন এক লাখ ৬৩ হাজার ৫৮২ জন শিক্ষার্থীকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে উপবৃত্তি, টিউশন ফি, ভর্তি সহায়তা ও চিকিৎসা অনুদান বিতরণ করা হয়। কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৪৫ কোটি ৮৭ লাখ ৮৮ হাজার টাকা উপবৃত্তি ও টিউশন ফি বাবদ বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, কারিগরি শিক্ষার প্রসারে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল স্থাপন এবং প্রতিটি বিভাগীয় সদরে একটি করে মহিলা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ হচ্ছে। এছারাও প্রতিটি জেলায় একটি করে সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় করা হচ্ছে।প্রাথমিকসহ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষায় সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ বাড়াতে ছাত্র-ছাত্রী উভয়ের জন্য বর্ধিত হারে উপবৃত্তি প্রদান করে যাচ্ছে, যার জন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লিঙ্গসমতা অর্জন করায় বাংলাদেশ বিশ্বে প্রশংসা অর্জন করেছে।


তিনি বলেন, এ বছরের প্রথম দিন চার কোটি ১৬ লাখ ৫৫ হাজার ২২৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৪ কোটি ৩৬ লাখ ৬২ হাজার ৩৯৪ বই বিনা মূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। ২০১০-২০২১ সাল পর্যন্ত প্রায় ৩৬৬ কোটি বই বিনা মূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।মহামারি করোনার মধ্যেও যথাসময়ে বই বিতরণ করায় তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ দেন।


অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন উপস্থিত এবং যথাক্রমে সকলেই বক্তৃতা রাখেন।


অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পিএমও সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।অনুষ্ঠানের সঙ্গে পটুয়াখালীর গলাচিপা, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্বরপুর উপজেলা এবং বান্দরবান সদর উপজেলা সংযুক্ত ছিল। প্রধানমন্ত্রী পরে উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং সরকারের পাসে থাকতে বলেন।


সকল সংবাদ সবার আগে পেতে চোখ রাখুন আমাদের ফেসবুক পেজে